নষ্ট পেনড্রাইভে কীভাবে ঢুকবেন?

পেনড্রাইভ : পেনড্রাইভের সংঙ্গা দিতে গেলে অনেক ভাবে দেওয়া যায় তবে সহজে বলতে পারি পেনড্রাইভ হচ্ছে সল্প ডাটা সংরক্ষণ করা অন্যতম একটি মধ্যম আবার পেনড্রাইভে ডাটা স্থানন্তেরের মাধ্যম ও বলা যায়। আবার পেনড্রাইভকে স্টরেজ ডিভাইস ও বলা যেতে পারে।

পেনড্রাইভের ব্যবহার : বর্তমান বিশ্বে বহুল প্রচলিত ও ব্যবহৃত হচ্ছে পেনড্রাইভ যেটিকে মানুষ অনেক সহ ভাবে ব্যবহার করতে পারে।

পেনড্রাইভের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটিকে অনেক সহজ ভাবে সাথে বহন করা যায় ।

এর সবথেকে বড় গুণ হচ্ছে যে কোন গুরুত্বপূর্ন ডাটা খুব সহজে পেনড্রাইভের মধ্যে নিয়ে যাওয়া যায়। কম্পিউটারের যে কোন ডাটা এর মাধ্যমে বহন করা যায়।

বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মানুষ পেনড্রাইভ ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের তাদের ডাটা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বহন করে থাকে।

পেনড্রাইভের কাজ :অনেক সময় দেখা যায় যে কম্পিউটারে যখন ভাইরাসে পরিপূর্ণ হয় তখন কম্পিউটারের ডাটাকে ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে পেনড্রাইভ ব্যবহার করা হয়।

এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডাটা ট্রান্সফার বা ডাটা সংগ্রহ, প্রোগ্রাম ফাইল স্থাথানন্তর, ভিডিও, ছবি সংরক্ষণ সহ ইত্যাদি আদান প্রদান কাজে পেনড্রাইভ ব্যবহার করা হয়।

পেনড্রাইভের সাইজ ও দাম: পেনড্রাইভ বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে যেমন : ১জিবি, ২ জিবি, ৪জিবি, ৮জিবি, ১৬ জিবি, ৩২ জিবি, ৬৪জিবি, ১২৮ জিবি সহ ইত্যাদি সাইজের হতে পারে ।

তবে দাম অনুসারে বাজার জাত ভাবে এক এক সময় এক এক দামে পেনড্রাইভের দাম নির্ধারণ করা হয়।

পেনড্রাইভ নষ্টের কারণ : বিভিন্ন ভাবে পেড্রাইভ নষ্ট হয়ে থাকে , অনেক সময় পড়ে গিয়ে , চাপ লেগে , তবে বর্তমানে অধিকাংশ সময় অতিরিক্ত ভাইরাসের কারণে পেনড্রাইভ নষ্ট হয়ে থাকে  আবার কম্পিউটারের প্রবেশের পরে eject না করার কারণে ও পেনড্রাইভ নষ্ট হয়ে থাকে।

তাই নিয়মিত  যদি পেনড্রাইভ Scan করা যায় তাহলে পেনড্রাইভকে অনেক সময় ভাইরাস থেকে মুক্ত করা যায়।

নষ্ট ও ভাইরাসযুক্ত পেনড্রাইভে কী ভাবে ঢুকবেন?

পেনড্রাইভে অধিক পরিমান ডাটা ও বিভিন্ন কম্পিউটারে ডাটা ট্রান্সফারের কারণে প্রেনড্রাইভ অনেক সময় ভাইরাসে পরিপূর্ণ হয়ে যায়।

তাই অনেক সময় পেনড্রাইভ আর ওপেন হতে চাই না। তাই পেনড্রাইভের মধ্যে থাকা ডাটা ও অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায় । তাই সহজ মাধ্যমে পেনড্রাইভকে ওপেন করা যেতে পারে।চলুন

এবার যেনে নেওয়া যাক কি ভাবে ভাইরাস যুক্ত পেনড্রাইভ ওপেন করবেন?

পেনড্রাইভকে ওপেন করতে হলে প্রথমে আপনাকে কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে আপনাকে আপনার পেনড্রাইভটা ঢুকাতে হবে।

এর পর অপনাকে কম্পিউটার কীবোর্ডের Ctrl+R নামক বোতাম একসাথে চাপ দিতে হবে তবে মনে রাখতে হবে কোন ভাবে যেন অন্য বাটনে চাপ না লাগে।

এই ভাবে কাজ করার পর আপনার পেনড্রাইভকে কম্পিউটারে চালু করতে হবে। এবার আপনাকে কীবোর্ড থেকে Regedit লিখে ইন্টার নামক বাটন প্রেস করতে হবে।

এর পর HKEY-LOCAL-MACHINE>SYSTEM> Current Control Set>Control এ যেতে হবে। তবে আপনাকে ভালো ভাবে খেয়াল রাখতে হবে এই কাজগুলো করার সময় যেন কোন ভাবে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপটি বন্ধ না হয়ে যায়।

এর পর আপনাকে Control যেয়ে আপনাকে আপনার মাউসের ব্যবহার করতে হবে তার জন্য আপনাকে মাউসের Right বাটনটা ক্লিক করতে হবে এবং তার ওপরে New নামক একটি লিখা আসবে তার পর New থেকে Key সিলেক্ট করে সামনের দিকে এগিয়ে কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে।

এর পর আপনাকে এখানে Storage Device Policies লিখাটি লিখে এন্টার বাটনে চাপ দিতে হবে। তারপর গুরুত্বর সাথে আপনাকে মাউস থেকে কাজ করতে হবে এখন মাউসের Right বাটনে চাপ দিয়ে New আসলে ওখান থেকে 32- bit Value Dword  ও  64-bit Value আসলে তাতে মাউস বাটন ক্লিক করে Write Portect কীবোর্ড থেকে লিখে ইন্টার বাটন চাপ দিতে হবে। 

কম্পিউটারে অনেক সময় পেনড্রাইভের কানেক্টশন বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই আপনাকে কম্পিউটারের হোম পেজ যেয়ে মাউস ক্লিক করে F5 বাটন চাপ দিয়ে ধরে রাধলে অটো ভাবে রিফ্রেশ হতে থাকতে এতে আপনার কম্পিউটার আগের থেকে অনেক দ্রুত কাজ করবে। এবার আপনাকে আবার পুনরায় Write Protect বাটনে মাউস দিয়ে বাম বাটনে চাপ দিতে হবে।

এর পর Value Data Box আসবে এবং এর পর 0 বাটনে কীবোর্ড থেকে লিখে চাপ দিতে হবে। Control Panel  থেকে কোন ভাবে বের হলে তা পেনড্রাইভ কোন ভাবে ডিসকানেক্ট হলে পুনরায় আবার আপনাকে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে তাই এবার Value Data Box আসার পর Start Menu আসবে এবং তাতে cmd নামক একটি ওয়ার্ড লিখে Right বাটন থেকে Run as administrator বাটনে ক্লিক করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এর পর Contact to Start বাটন আসবে যদি না আসে তা হলে Run As administrator অপশনে চাপ দেওয়ার পরে সেখানে Diskpart লিখে কীবোর্ডের এন্টার বাটনে চাপ দিয়ে পুনরায় একই জায়গায় List disk লিখাটি লিখে আবার কম্পিউটারের কীবোর্ডে এন্টার বোতামে চাপ দিতে হবে ।

এই কাজ গুলো করার পরে আপানার ওখানে একটি চার্ট আসবে এবং সেখানে আপনার পেনড্রাইভের অপশন আসবে এর পর আপনাকে পেনড্রাইভের একটা নাম দিতে হবে সেটা যে কোন বর্ণ দিয়ে লিখতে পারেন। সেটা  A, B, C, D , L, K ইত্যাদি যে কোন বর্ণ হতে পারে তাই আপনাকে Select disk B : লিখতে হবে মনে রাখবেন এখানে যেই বর্ণটি ইংরেজীতে লিখলেন সেটি আপনার পেনড্রাইভের নাম তাই এর পরের ধাপে আপনাকে B বা যেই বর্ণটি লিখবেন সেটিতে চাপ দিতে হবে।

তবে কোন ভাবে ইংরেজি বানান যেন ভুল না হয় সেই দিকে আপনাকে সমর্ক থাকতে হবে  এবার পরের ধাপে আপনাকে পুনরায় আবার কীবোর্ড থেকে Attributes disk clear readonly লিখে প্রেস করতে হবে তার পর আবার আপনাকে Clean লিখে প্রেস করতে হবে পরের ধাপে আপনাকে সতর্কতার সাথে Create Partition Primary লিখাটি কম্পিউটারের কীবোর্ড থেকে লিখে পুনরায় প্রেস করতে হবে। প্রতিটি কাজ গুলো করার পরে আপনাকে আপনাকে সর্বশেষে কীবোর্ড থেকে Format Fs= Fat32 এটি লেখোর পরে আপনাকে Submit বা এন্টার বাটনে চাপ দিতে হবে।

প্রতিটি কাজ করার পরে আপনাকে পেনড্রাইভটি কম্পিউটার বার ল্যাপটপের সাথে রেখে Restart বাটনে চাপ দিয়ে Restart করতে হবে এবার দেখবেন আপনার পেনড্রাইভটি আপনার ওখানে শো করছে তাই এবার পেনড্রাইভটি Format করে পুনরায় সেটিকে ক্লিয়ার করতে হবে।

বিভিন্ন ভাবে পেনড্রাইভ Format করা যায় তাই আপনাকে কম্পিউটার Restart করার পরে অতি দ্রৃত কীবোর্ড থেকে F8 ধরে Safe Mode with command Prompt আসলে সেখানে চাপ দিয়ে আপনার পেনড্রাইভের যে নাম দিয়েছেন সেটিতে ক্লিক করতে হবে মানে B: লিখাতে ক্লিক করে পুনরায় আবার পেনড্রাইভ Format করতে পারবেন তবে এবার আপনার সামনে হ্য/না মানে Yes or No অপশন আসবে তাতে আপনাকে নির্বাচন করে আপনার Format সম্পূর্ণ করতে হবে।

আপনাকে কিন্তু এবার অবশ্যই Yes বাটনে ক্লিক করে পেনড্রাইভ Format করতে হবে।

পেনড্রাইভ যদি অধিক পরিমানে ভারি হয়ে যায় তা হলে কম্পিউটার থেকে মাউস বাটন থেকে পেনড্রাইভের Right বাটনে ক্লিক করে Scan নামক অপশনে থেকে Scan করতে হবে। তবে অনেক সময়  পেনড্রাইভ তাড়াতাড়ি খুলে ফেলার কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে,

তাই পেনড্রাইভ কম্পিউটার থেকে খুলে ফেলার সময় পেনড্রাইভের Right বাটনে ক্লিক করে Eject বাটনে ক্লিক করে পেনড্রাইভটা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে Disconnect করতে হবে তা হলে আপনার পেনড্রাইভটা সুরক্ষিত থাকবে।

সর্বশেষ কথা :

বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম অংশ হচ্ছে পেনড্রাইভ । আর আমরা আশা করছি পেনড্রাইভ কী ? নষ্ট ও ভাইরাসযুক্ত পেনড্রাইভে কীভাবে ঢুকবেন বা ভালো করবেন তা সম্পর্কে আপনারা বুঝতে পারছেন।

আপনাদের কাছে অনুগ্রহ করছি আমার এই আর্টিকেলটা ভালো লাগলে দয়া করে পাশে থাকবেন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে দিবেন।

ধন্যবাদ ...

Enjoyed this article? Stay informed by joining our newsletter!

Comments

You must be logged in to post a comment.

Related Articles